ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

নং শিরোনাম ইতিহাস ধরণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ছবি প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদবি প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন প্রতিষ্ঠান প্রধানের মোবাইল প্রতিষ্ঠান প্রধানের ইমেইল প্রতিষ্ঠান প্রধানের ছবি যোগাযোগ কার্যকলাপ
    
      
 
ঈদগাহ ঈদগাহ রজব আলী সভাপতি   ০১৬১২২২৬৯৯৪   দেখুন
মসজিদ মসজিদ রজব আলী সভাপতি   ০১৬১২২২৬৯৯৪   দেখুন
আশ্রম

 

আশ্রম হিন্দুশাস্ত্রানুযায়ী মানবজীবনের চারটি স্তরবিশেষ, যথা ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। প্রাচীন ভারতে যথাসম্ভব শাস্ত্রের এ বিধান অনুযায়ী মানবজীবন পরিচালিত হতো। ব্রহ্মচর্যাশ্রমে উপনয়নকৃত বালক নিয়মনিষ্ঠ হয়ে গুরুগৃহে থেকে বেদ প্রভৃতি শাস্ত্র শিক্ষা করত। শিক্ষা সমাপনান্তে গুরুর আদেশ অনুযায়ী তার গার্হস্থ্যশ্রম 

 

মার্কেন্ড পুরান

মার্কেন্ড পুরান, শ্রীশ্রীচণ্ডী বা দেবীমাহাত্ম্যম্ বা দেবীভাগবত পূরণে উল্লেখ রয়েছে ঋষি মেধসের এই আশ্রমের। মার্কেন্ড পুরান অনুযায়ী দেবী দুর্গা মর্তলোকে সর্ব প্রথম এই ঋষি মেধসের আশ্রমে অবতীর্ণ হন। ঋষি মেধসের এই আশ্রম অবিভক্ত বঙ্গএর চট্টগ্রামে অবস্থিত। শ্রীশ্রীচণ্ডী গ্রন্থে কথিত রয়েছে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি মহর্ষি মার্কেন্ডের কাছেই প্রথম দেবীমাহাত্ম্যম্ এর পাঠ নেন এবং এই স্থানে প্রথম দুর্গাপুজো করেন।

আবিষ্কার

বরিশালের গৈলা অঞ্চলের পণ্ডিত জগবন্ধু চক্রবর্তীর বাড়িতে ১২৬৬ বঙ্গাব্দে ২৫ অগ্রহায়ণ মাসে চন্দ্রশেখর নামে একপুত্র সন্তানের জন্ম হয় । জন্মের দু’বছর পর জগবন্ধু মারা যান। মায়ের অনুরোধে চন্দ্রশেখর ১৪ বছর বয়সে বিয়ে করেন মাদারীপুরের রাম নারায়ণ পাঠকের কন্যা বিধুমুখীকে। ছয় মাস পর মারা যান স্ত্রী। এর কিছুদিন পর মাও মারা যান। সংসারে আপন বলতে আর কেউ রইল না। একাকীত্ব জীবনে এসে চন্দ্রশেখর নানা বেদ শাস্ত্র পাঠ করে হয়ে ওঠেন পরিচিত পণ্ডিত। তখন নাম হলো শীতলচন্দ্র। তিনি মাদারীপুরে প্রতিষ্ঠা করেন সংস্কৃত কলেজসহ নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরবর্তীতে যোগীপুরুষ স্বামী সত্যানন্দের সাথে সাক্ষাতের পর চন্দ্রশেখরের মনে চন্দ্রনাথ দর্শনের আগ্রহ জন্মে। তিনি চলে আসেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে। সেখানে তিনি বৈরাগ্য ধর্ম গ্রহণ করেন। ততদিনে চন্দ্রশেখর হয়ে ওঠেন বেদানন্দ স্বামী। সেখানে যোগবলে বেদানন্দ দর্শন লাভ করেন চন্দ্রনাথের (শিব)। চন্দ্রনাথ সেই দর্শনে বেদানন্দকে পাহাড়ের অগ্নিকোণে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার আদেশ দিয়ে বলেন, ‘দেবীর আবির্ভাবস্থান মেধস আশ্রম পৌরাণিক শত সহস্র বছরের পবিত্র তীর্থভূমি। কালের আবর্তে সেই পীঠস্থান অবলুপ্ত হয়ে পড়েছে। তুমি স্বীয় সাধনবলে দেবীতীর্থ পুনঃআবিষ্কার করে তার উন্নয়নে মনোনিবেশ কর। দেবী দশভুজা দুর্গা তোমার ইচ্ছ পূরণ করবে।’ দৈববলে প্রভু চন্দ্রনাথের আদেশে বেদানন্দ স্বামী পাহাড়-পর্বত পরিভ্রমণ করে পবিত্র এ তীর্থভূমি মেধাশ্রম আবিষ্কার করেন।[৩][৪][৫]

দুর্গোৎসব

মেধস মুনি রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধিকে প্রথম দুর্গোৎসবের পাঠ দিয়েছিলেন। রাজা ও বৈশ্য নিজেদের দুরবস্থা থেকে মুক্ত হতে চট্টগ্রামের মেধসের এই আশ্রমে মাটি দিয়ে দুর্গা প্রতিমা নির্মাণ করেন এবং মর্তলোকে প্রথম দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। সেই থেকে আজ অবধি, এখানে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। এটি বাংলাদেশের হিন্দু বাঙালিদের অন্যতম বৃহৎ তীর্থস্থান। অনুমান করা হয়, এই স্থান থেকেই সমগ্র বঙ্গদেশে বাঙালিদের মধ্যে ও পরে সমগ্র ভারতে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে দুর্গাপুজো জনপ্রিয়তা লাভ করে।[১]

১৯৭১ সালের ধ্বংসলীলা

১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান(বর্তমান বাংলাদেশে) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকহানাদার বাহিনী এই আশ্রম ও আশ্রম সংলগ্ন মন্দির ধ্বংস করে দেয়। পরে স্থানীয় হিন্দুদের সহযোগিতায় এই মন্দির ও আশ্রম পুনঃনির্মাণ করা হয়।[৪][৬]

বর্তমান মঠ ও মন্দির

আশ্রমে চণ্ডী মন্দির, শিব মন্দির, সীতা মন্দির, তারা কালী মন্দিরসহ ১০টি মন্দির রয়েছে। রয়েছে সীতার পুকুর।আশ্রমের প্রধান ফটক দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার গেলে ওপরে ওঠার সিঁড়ি। প্রায় ১৪০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠলে মেধস মুনির মন্দির চোখে পড়বে। এই মন্দিরের পরই দেবী চণ্ডীর মূল মন্দির। এর একপাশে সীতার পুকুর, পেছনে রয়েছে ঝরনা। মন্দিরের পেছনে সাধু সন্ন্যাসী ও পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে দোতলা ভবন।প্রায় ৬৮ একর জায়গাজুড়ে স্থাপিত হয়েছে এই মন্দিরে প্রতিবছর মহালয়ার মাধ্যমে দেবী পক্ষের সূচনা হয়এই মন্দিরে।

মন্দির দিতেন্দ্র কুমার দাস খোকন সভাপতি 01712353434 01712353434   গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে মন্দির গুলি অবস্থিত। যোগাযোগের জন্য- 01712353434 দেখুন
মন্দির

 

১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নে ৬টি মন্দির আছে। যথাঃ ১। গোরাগ্রাম শ্রী-শ্রী কালি মন্দির, ২। হাদারপার শিব মন্দির, ৩। কুনকিরী শিব মন্দির, ৪। মাঠিকাপা মনষা মন্দির, ৫। উপজাতি মন্দির, ৬। গোরাগ্রাম  শ্রী- শ্রী গৌরাঙ্গ মহা প্রভুর আখড়া ।

অবস্থান

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের  ভারতীয় উপমহাদেশের বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রী চৈতন্য দেবের আদর্শে অনুপ্রাণীত ১। গোরাগ্রাম শ্রী-শ্রী কালি মন্দির, ২। হাদারপার শিব মন্দির, ৩। কুনকিরী শিব মন্দির, ৪। মাঠিকাপা মনষা মন্দির, ৫। উপজাতি মন্দির, ৬। গোরাগ্রাম  শ্রী- শ্রী গৌরাঙ্গ মহা প্রভুর আখড়া মন্দিরটি অবস্থিত; যা হিন্দু ধর্মালম্বীদের নিকট তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।

 

চৈতন্য মহাপ্রভু

 

চৈতন্য মহাপ্রভু (১৪৮৬ খ্রিঃ – ১৫৩৩ খ্রিঃ) ছিলেন একজন বৈষ্ণব সন্ন্যাসী এবং ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট বৈষ্ণব ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক। তিনি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[১] গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ তাঁকে শ্রীকৃষ্ণের পূর্ণাবতার মনে করেন।[২] শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ছিলেন ভাগবত পুরাণভগবদ্গীতা-য় উল্লিখিত দর্শনের ভিত্তিতে সৃষ্ট বৈষ্ণব ভক্তিযোগ মতবাদের একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা।[৩] তিনি বিশেষত রাধাকৃষ্ণ রূপে পরম সত্ত্বার পূজা প্রচার করেন এবং জাতিবর্ণ নির্বিশেষে আচণ্ডাল-ব্রাহ্মণের কাছে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রটি জনপ্রিয় করে তোলেন। এটি হল:

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।[৪][৫]

সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষাষ্টক নামক প্রসিদ্ধ স্তোত্রটিও তারই রচনা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতানুসারে, ভাগবত পুরাণের শেষের দিকের শ্লোকগুলিতে রাধারাণীর ভাবকান্তি সংবলিত শ্রীকৃষ্ণের চৈতন্যরূপে অবতার গ্রহণের কথা বর্ণিত হয়েছে।[৬] তাঁর জন্মতিথি প্রতিবছর গৌরপূর্ণিমা রূপে উদযাপন করা হয়।

চৈতন্য মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমের নাম 'গৌরাঙ্গ', 'গৌরচন্দ্র', বা 'নিমাই'। তার গাত্রবর্ণ স্বর্ণালি আভাযুক্ত ছিল বলে তাকে 'গৌরাঙ্গ' বা 'গৌরচন্দ্র' নামে অভিহিত করা হত;[৭] অন্যদিকে, নিম বৃক্ষের নীচে জন্ম বলে তার নামকরণ হয়েছিল 'নিমাই'।[৮] ষোড়শ শতাব্দীতে চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী সাহিত্য বাংলা সন্তজীবনী ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটিয়েছিল। সে যুগে একাধিক কবি চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী অবলম্বনে কাব্য রচনা করে গিয়েছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীর চৈতন্য চরিতামৃত, বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের চৈতন্য ভাগবত,[৯] এবং লোচন দাস ঠাকুরের

চৈতন্য মহাপ্রভু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 
 
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চৈতন্য মহাপ্রভু
হিন্দু ধর্মগুরু
Chaitanya-Mahabrabhu-at-Jagannath.jpg
 
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু
জন্ম ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দ, দোলপূর্ণিমা
জন্মস্থান নবদ্বীপ (অধুনা নদিয়া জেলা, পশ্চিমবঙ্গ)
পূর্বাশ্রমের নাম বিশ্বম্ভর মিশ্র, নিমাই, গৌরচন্দ্র
মৃত্যু ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দ
মৃত্যুস্থান পুরী (বর্তমান ওড়িশা)
গুরু ঈশ্বর পুরী (মন্ত্র গুরু), কেশব ভারতী (সন্ন্যাস গুরু)
দর্শন গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম, অচিন্ত্য ভেদ অভেদ, ভক্তিযোগ
সম্মান "বিদ্যাসাগর বাদীসিংহ", কৃষ্ণের পূর্ণাবতার, একই দেহে রাধা ও কৃষ্ণের ভাবকান্তির সমন্বয়
উক্তি

"চণ্ডালোহপি দ্বিজশ্রেষ্ঠঃ হরিভক্তিপরায়ণঃ"

"মুচি যদি ভক্তিসহ ডাকে কৃষ্ণধনে।
কোটী নমস্কার করি তাহার চরণে।।" ('গোবিন্দদাসের কড়চা'য় উল্লিখিত)

"তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুনা।
অমানীনা মানদেন কীর্তনীয়া সদা হরি।।"

পাদটীকা  
 
 
বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো (৬০ ফুট) চৈতন্য মহাপ্রভু মূর্তি নবদ্বীপে

চৈতন্য মহাপ্রভু (১৪৮৬ খ্রিঃ – ১৫৩৩ খ্রিঃ) ছিলেন একজন বৈষ্ণব সন্ন্যাসী এবং ষোড়শ শতাব্দীর বিশিষ্ট বৈষ্ণব ধর্ম ও সমাজ সংস্কারক। তিনি অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[১] গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ তাঁকে শ্রীকৃষ্ণের পূর্ণাবতার মনে করেন।[২] শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য ছিলেন ভাগবত পুরাণভগবদ্গীতা-য় উল্লিখিত দর্শনের ভিত্তিতে সৃষ্ট বৈষ্ণব ভক্তিযোগ মতবাদের একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা।[৩] তিনি বিশেষত রাধাকৃষ্ণ রূপে পরম সত্ত্বার পূজা প্রচার করেন এবং জাতিবর্ণ নির্বিশেষে আচণ্ডাল-ব্রাহ্মণের কাছে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রটি জনপ্রিয় করে তোলেন। এটি হল:

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।[৪][৫]

সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষাষ্টক নামক প্রসিদ্ধ স্তোত্রটিও তারই রচনা। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতানুসারে, ভাগবত পুরাণের শেষের দিকের শ্লোকগুলিতে রাধারাণীর ভাবকান্তি সংবলিত শ্রীকৃষ্ণের চৈতন্যরূপে অবতার গ্রহণের কথা বর্ণিত হয়েছে।[৬] তাঁর জন্মতিথি প্রতিবছর গৌরপূর্ণিমা রূপে উদযাপন করা হয়।

চৈতন্য মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমের নাম 'গৌরাঙ্গ', 'গৌরচন্দ্র', বা 'নিমাই'। তার গাত্রবর্ণ স্বর্ণালি আভাযুক্ত ছিল বলে তাকে 'গৌরাঙ্গ' বা 'গৌরচন্দ্র' নামে অভিহিত করা হত;[৭] অন্যদিকে, নিম বৃক্ষের নীচে জন্ম বলে তার নামকরণ হয়েছিল 'নিমাই'।[৮] ষোড়শ শতাব্দীতে চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী সাহিত্য বাংলা সন্তজীবনী ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটিয়েছিল। সে যুগে একাধিক কবি চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী অবলম্বনে কাব্য রচনা করে গিয়েছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীর চৈতন্য চরিতামৃত, বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের চৈতন্য ভাগবত,[৯] এবং লোচন দাস ঠাকুরের চৈতন্যমঙ্গল[১০]

চৈতন্য জীবনকথা

 
চৈতন্য মহাপ্রভু, নবদ্বীপের প্রাচীন মায়াপুরে

চৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থের বর্ণনা অনুযায়ী, ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি (২৩ ফাল্গুন, ১৪০৭ শকাব্দ) দোলপূর্ণিমার রাত্রে চন্দ্রগ্রহণের সময় নদিয়ার নবদ্বীপে চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম।[১১] তাঁর পিতামাতা ছিলেন অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত নবদ্বীপের অধিবাসী জগন্নাথ মিশ্র ও শচী দেবী।[১২] চৈতন্যদেবের পূর্বপুরুষেরা ছিলেন পূর্ব বাংলার শ্রীহট্টের (অধুনা সিলেট, বাংলাদেশ) আদি বাসিন্দা। তাঁর পিতা জগন্নাথ মিশ্র শ্রীহট্ট থেকে দক্ষিণবঙ্গের নবদ্বীপে অধ্যয়ন ও সংস্কৃত শাস্ত্রচর্চার জন্য এসে বসতি স্থাপন করেন।[৪][১৩][১৪]

চৈতন্যদেবের পিতৃদত্ত নাম ছিল বিশ্বম্ভর মিশ্র। শৈশবাবস্থায় তাঁর পিতৃবিয়োগ ঘটে। প্রথম যৌবনে তিনি ছিলেন স্বনামধন্য পণ্ডিত। তাঁর প্রধান আগ্রহের বিষয় ছিল সংস্কৃত গ্রন্থাদি পাঠ ও জ্ঞানার্জন। ব্যাকরণশাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি অর্জনের পর মাত্র কুড়ি বছর বয়সে তিনি ছাত্রদের অধ্যয়নের জন্য একটি টোল স্থাপন করেন।[৪] তর্কশাস্ত্রে নবদ্বীপের নিমাই পণ্ডিতের খ্যাতি ছিল অবিসংবাদিত। কেশবকাশ্মীর নামক এক দিগ্বিজয়ী পণ্ডিতকে তরুণ নিমাই তর্ক-যুদ্ধে পরাস্ত করেন। জপ ও কৃষ্ণের নাম কীর্তনের প্রতি তাঁর আকর্ষণ যে ছেলেবেলা থেকেই বজায় ছিল, তা জানা যায় তাঁর জীবনের নানা কাহিনি থেকে।[১৫] তাঁর প্রথমা পত্নী লক্ষ্মীপ্রিয়াদেবীকে বিয়ের পর একবার সিলেটে গিয়েছিলেন তিনি। পূর্ববঙ্গে পর্যটনকালে লক্ষ্মীপ্রিয়াদেবীর সর্পদংশনে মৃত্যু ঘটলে তিনি মায়ের অনুরোধে নিজের অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর জলগ্রহণ করেন। [৪]

এরপর গয়ায় পিতার পিণ্ডদান করতে গিয়ে স্ত্রীবিয়োগকাতর নিমাই তাঁর গুরু ঈশ্বর পুরীর সাক্ষাৎ পান। ঈশ্বর পুরীর নিকট তিনি গোপাল মন্ত্রে দীক্ষিত হন। এই ঘটনা নিমাইয়ের পরবর্তী জীবনে গভীর প্রভাব বিস্তার করে।[১৬] বাংলায় প্রত্যাবর্তন করার পর শিক্ষাভিমানী পণ্ডিত থেকে কৃষ্ণভাবময় ভক্ত রূপে তাঁর অপ্রত্যাশিত মন পরিবর্তন দেখে অদ্বৈত আচার্যের নেতৃত্বাধীন স্থানীয় বৈষ্ণব সমাজ আশ্চর্য হয়ে যান। অনতিবিলম্বে নিমাই নদিয়ার বৈষ্ণব সমাজের এক অগ্রণী নেতায় পরিণত হন। হিন্দুধর্মের জাতিভেদ উপেক্ষা করে তিনি সমাজের নিম্নবর্গীয় মানুষদের বুকে জড়িয়ে ধরে 'হরি বোল' ধ্বনি বিতরণ করতেন এবং হরিনাম প্রচারে খোল-করতাল সহযোগে অনুগামীদের নিয়ে নবদ্বীপের রাজপথে 'নগর সংকীর্তন'এ বের হতেন। অত্যাচারী জগাই ও মাধাইকে তিনি ভক্তে পরিণত করেন। তাঁর প্রভাবে মুসলমান 'যবন হরিদাস' (হরিদাস ঠাকুর) বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নবদ্বীপের শাসক চাঁদকাজী তাঁর আনুগত্য স্বীকার করেন। চৈতন্যভাগবত-এ আছে, জাতিভেদের অসারতা দেখানোর জন্য তিনি শূদ্র রামরায়কে দিয়ে শাস্ত্র ব্যাখ্যা করিয়েছিলেন। [৪]

মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে কাটোয়ায় কেশব ভারতীর নিকট সন্ন্যাসব্রতে দীক্ষিত হওয়ার পর নিমাই শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম গ্রহণ করেন।[১৭] সন্ন্যাস গ্রহণের পর তিনি জন্মভূমি বাংলা ত্যাগ করে কয়েক বছর ভারতের বিভিন্ন তীর্থস্থান যথা: নীলাচল, দাক্ষিণাত্য, গৌড়, বৃন্দাবন পর্যটন করেন। পথে সত্যবাই, লক্ষ্মীবাই নামে বারাঙ্গনাদ্বয় এবং ভীলপন্থ, নারেজী প্রভৃতি দস্যুগণ তাঁর শরণ গ্রহণ করে। এইসব স্থানে ভ্রমণের সময় তিনি এতদাঞ্চলের ভাষা (যথা: ওড়িয়া, তেলুগু, মালয়ালম প্রভৃতি) বিশেষভাবে শিক্ষা করেন। এই সময় তিনি অশ্রুসজল নয়নে অবিরত কৃষ্ণনাম জপ ও কঠোর বৈরাগ্য সাধন (আহার-নিদ্রা ত্যাগ করে কৌপীনসার হয়ে) করতেন। জীবনের শেষ চব্বিশ বছরের অধিকাংশ সময় তিনি অতিবাহিত করেন জগন্নাথধাম পুরীতে[১৮] ওড়িশার সূর্যবংশীয় হিন্দু সম্রাট গজপতি মহারাজা প্রতাপরুদ্র দেব চৈতন্য মহাপ্রভুকে কৃষ্ণের সাক্ষাৎ অবতার মনে করতেন। মহারাজা প্রতাপরুদ্র চৈতন্যদেব ও তাঁর সংকীর্তন দলের পৃষ্ঠপোষকে পরিণত হয়েছিলেন।[১৯] ভক্তদের মতে, জীবনের শেষপর্বে চৈতন্যদেব ভক্তিরসে আপ্লুত হয়ে হরিনাম সংকীর্তন করতেন এবং অধিকাংশ সময়েই ভাবসমাধিস্থ থাকতেন।[২০] ১৫৩৩ খ্রীষ্টাব্দে আষাঢ় মাসের শুক্লা সপ্তমী তিথিতে রবিবারে পুরীধামে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে তাঁর লীলাবসান ঘটে।[৪]

পাদুকা

নবদ্বীপ শহরের মহাপ্রভু ধাম মন্দিরে শ্রী শ্রী বিষ্ণুপ্রিয়া সমিতির তত্ত্বাবধানে রয়েছে শ্রীচৈতন্যর পাদুকা যুগল। কাঠের এই পাদুকা দু’টি ৫০০বছর আগে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকে দিয়ে গিয়েছিলেন স্বয়ং মহাপ্রভু। কথিত রয়েছে, শ্রীচৈতন্যদেব সন্ন্যাস নেওয়ার এক বছরের মাথায় শান্তিপুরে এসেছিলেন শচীমাতাকে দর্শনের জন্য। শচীমাতাকে দর্শনের পরেই পুরীধামে চলে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। অচমকা পুরীর যাত্রা বাতিল করে তিনি নবদ্বীপে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। শ্রীবাস, গদাধরকে সঙ্গে নিয়ে কীর্তন করতে তিনি নবদ্বীপে চলে আসেন। বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী সেই সময় বাড়িতে পুজো করছিলেন। সন্ন্যাসীদের স্ত্রীর মুখ দর্শনের নিয়ম নেই। তাই উঠোনে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন মহাপ্রভু। বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী ঘর থেকে বের হয়ে স্বামীকে প্রণাম করতে যান। প্রণাম শেষ হতেই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী দেখেন, এক জোড়া পাদুকা রেখে গিয়েছেন মহাপ্রভু। সামনে মহাপ্রভু নেই। ওই দিন রাতে বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী মায়ের স্বপ্নাদেশ পান, জন্মভিটের নিম গাছ থেকে কাঠের বিগ্রহ তৈরি করে পুজো করতে এবং তার সঙ্গে পাদুকাও পুজো হবে। সেই থেকে মহাপ্রভুর পাদুকা পুজো হয়ে আসছে। বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীর ভাইয়ের বংশধররা ওই পাদুকা যুগল সুরক্ষিত রেখেছেন। ১৯৬০সালের পর ওই পাদুকা দু’টিকে একটি রুপোর খাপের মধ্যে রাখা হয়।[২১]

অবতারত্ব

 
চৈতন্য মহাপ্রভু (ডানে) ও নিত্যানন্দের (বামে) মূর্তি, ইসকন মন্দির, দিল্লি

গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের মতে, চৈতন্য মহাপ্রভু ঈশ্বরের তিনটি পৃথক পৃথক রূপের আধার: প্রথমত, তিনি কৃষ্ণের ভক্ত; দ্বিতীয়ত, তিনি কৃষ্ণভক্তির প্রবক্তা; এবং তৃতীয়ত, তিনি রাধিকার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবদ্ধ কৃষ্ণের স্বরূপ।[২২][২৩][২৪][২৫] ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত চৈতন্য জীবনীগ্রন্থগুলির বর্ণনা অনুসারে, তিনি একাধিকবার অদ্বৈত আচার্যনিত্যানন্দ প্রভুকে কৃষ্ণের মতো বিশ্বরূপ দেখিয়েছিলেন।[২৬][২৭][২৮]

চৈতন্যদবের দেহকান্তি ও স্বভাব সম্পর্কিত একটি পদ নিম্নরূপ:

প্রকান্ড শরীর শুদ্ধ কাঞ্চন বরণ
আজানুলম্বিত ভুজ কমল লোচন।
বাহু তুলি হরি বলি প্রেমদৃষ্ট্যে চায়
করিয়া কল্মষ নাশ প্রেমেতে ভাসায়।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অবতার গ্রহণের বিষয়ে তিনটি মত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তা হল-১) কালের নিয়মে অবতার গ্রহণ ২) যুগধর্ম প্রবর্তন ৩) অতৃপ্ত প্রেমরস আস্বাদন। জীবনী কাব্যগুলোতে মূলত এই তিনটি কারণের কথাই ব্যাখ্যা করা হয়েছে।(তন্ময় মণ্ডল) [২৯]

চৈতন্য সম্প্রদায়

 
 
মন্দির দিতেন্দ্র কুমার দাস খোকন সভাপতি 01712353434 01712353434   গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে মন্দির গুলি অবস্থিত। যোগাযোগের জন্য- 01712353434 দেখুন
শ্মশান

১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নে ৬টি মন্দির আছে। প্রতিটি মন্দিরের পাশে স্থায়ী ভাবে শ্মশান ঘাটের ব্যবস্থা আছে  যথাঃ ১। গোরাগ্রাম শ্রী-শ্রী কালি মন্দির শ্মশানঘাট, ২। হাদারপার শিব মন্দির শ্মশানঘাট, ৩। কুনকিরী শিব মন্দির শ্মশানঘাট, ৪। মাঠিকাপা মনষা মন্দির শ্মশানঘাট, ৫। উপজাতি মন্দির শ্মশানঘাট, ৬। গোরাগ্রাম  শ্রী- শ্রী গৌরাঙ্গ মহা প্রভুর আখড়া শ্মশানঘাট ।

অবস্থান

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের গোরাগ্রাম হিন্দু পাড়া গ্রামে ভারতীয় উপমহাদেশের বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক শ্রী চৈতন্য দেবের আদর্শে অনুপ্রাণীত ১। গোরাগ্রাম শ্রী-শ্রী কালি মন্দির শ্মশানঘাট, ২। হাদারপার শিব মন্দির শ্মশানঘাট, ৩। কুনকিরী শিব মন্দির শ্মশানঘাট, ৪। মাঠিকাপা মনষা মন্দির শ্মশানঘাট, ৫। উপজাতি মন্দির শ্মশানঘাট, ৬। গোরাগ্রাম  শ্রী- শ্রী গৌরাঙ্গ মহা প্রভুর আখড়া মন্দিরটি অবস্থিত; যা হিন্দু ধর্মালম্বীদের নিকট তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।

শ্মশান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 
 
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
 
ভারতের একটি গ্রামের উপকণ্ঠে অবস্থিত শ্মশানক্ষেত্র

শ্মশান হল হিন্দু অন্ত্যেষ্টিস্থল। এখানে মৃতদেহ এনে চিতায় দাহ করা হয়। সাধারণতও গ্রাম বা শহরের উপকণ্ঠে কোনও নদী বা জলাশয়ের তীরে শ্মশান গড়ে ওঠে। অধিকাংশ শ্মশানই নদীর ঘাটের কাছে অবস্থিত বলে একে শ্মশানঘাট নামেও চিহ্নিত করা হয়।

"শ্মশান" শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত: "শ্ম" শব্দের অর্থ "শব" ("মৃতদেহ") এবং "শান" শব্দটির অর্থ "শন্য" ("বিছানা")।[১][২] অপর তিন ভারতীয় ধর্ম জৈনধর্ম, বৌদ্ধধর্মশিখধর্মের অনুগামীরাও শ্মশানে মৃতের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন।

প্রথা

 

হিন্দু রীতি অনুযায়ী, মৃতদেহকে সৎকারের জন্য শ্মশানে আনা হয়। সেখানে মুখাগ্নিকারীকে দক্ষিণার বিনিময়ে শ্মশানক্ষেত্রের নিকটে বসবাসকারী ডোমের হাত থেকে অগ্নি সংগ্রহ করে চিতা প্রজ্বালিত করতে হয়।[৩]

বিভিন্ন হিন্দু শাস্ত্রগ্রন্থে শ্মশান নির্বাচনের স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: এই স্থান কোনও গ্রামের উত্তর দিকে অবস্থিত হতে হবে এবং শ্মশানের জমির ঢাল দক্ষিণ দিকে থাকতে হবে। সেই সঙ্গে শ্মশানকে কোনও নদী বা জলের উৎসের নিকটবর্তী হতে হবে এবং তা সাধারণের দৃষ্টিপট থেকে একটু দূরে থাকতে হবে।[৪]

শ্মশানে মৃতদেহ সাধারণত দাহ করা হয় কাঠের তৈরি চিতায়। তবে আধুনিক কালে ভারতের অনেক শহরে আভ্যন্তরীণ শ্মশানগৃহে বৈদ্যুতিক বা গ্যাসের চুল্লিতেও শবদাহ করা হয়।[৫][৬]

আধ্যাত্মিক ভূমিকা

হিন্দুরা শ্মশানকে ভূত, প্রেতাত্মা ও উগ্রস্বভাব দেবদেবীদের আবাসস্থল মনে করেন। তান্ত্রিকেরা শ্মশানে তন্ত্রসাধনা করে থাকেন। তাই সাধারণ লোকে রাতে শ্মশানের কাছে যেতে চান না। স্ত্রীলোকের শ্মশানে যাওয়া শাস্ত্রনিষিদ্ধ। পুরুষেরাই শবদাহের জন্য শ্মশানে যেতে পারেন। শুধুমাত্র ডোম ও চণ্ডালেরা শ্মশানে বা শ্মশানের কাছে বাস করে।

শ্মশানক্ষেত্র হল অঘোরী, কাপালিক, কাশ্মীরী শৈব, কৌল প্রভৃতি অধুনা বিরল বামাচারী সাধক সম্প্রদায়ের শবসাধনা জাতীয় বিভিন্ন সাধনার স্থল। ঐন্দ্রজালিক শক্তি অর্জনের জন্য তাঁরা শ্মশানে কালী, তারা, ভৈরব, ভৈরবী, ডাকিনী, বেতাল ইত্যাদির পূজা করেন। বজ্রযান, দোগচেন প্রভৃতি সম্প্রদায়ের তিব্বতি বৌদ্ধ তান্ত্রিকেরাও একই উদ্দেশ্যে শ্মশানে চোদ, ফাওয়া, ঝিত্রো ইত্যাদির সাধনা করেন। শ্মশানাধিপতি নামে এক দেবতাকে সাধারণত শ্মশানের অধীশ্বর মনে করা হয়।

 

স্মশানঘাট নীল মনি দাস সভাপতি 01770281493 01770281493   গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে শ্মশানঘাট গুলি অবস্থিত। যোগাযোগের জন্য - 01770281493 দেখুন
কবরস্থান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) এর গোপনীয় শাখা রজব আলী সভাপতি   ০১৭১৭৮৪৬৫৫১   দেখুন
সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) এর গোপনীয় শাখা রজব আলী সভাপতি   ০১৬১২২২৬৯৯৪   দেখুন
গীর্জা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) এর গোপনীয় শাখা কাজল চন্দ্র দশ সভাপতি   ০১৭১৭৮৪৬৫৫১   দেখুন
প্যাগোডা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) এর গোপনীয় শাখা কাজল চন্দ্র দশ সভাপতি   ০১৭১৭৮৪৬৫৫১   দেখুন
১০ এতিমখানা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) এর গোপনীয় শাখা রজব আলী সভাপতি   ০১৬১২২২৬৯৯৪   দেখুন
দেখছেন ১ থেকে ১০ পর্যন্ত, মোট ১১ এন্ট্রি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন